পিরোজপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আলামকাঠী-মুক্তারকাঠী-ব্রাহ্মণকাঠী এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ১৯ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ মে) রাত ৯টার দিকে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এসময় মারাত্মক আহত তিনজনকে রাতেই খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। পিরোজপুর সদর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. একরামুল কবির জানান, ব্রাহ্মণকাঠী এলাকার হায়দার সেখের ছেলে সুমনের (২৫) সঙ্গে মুক্তারকাঠী এলাকার রুমার চাচাতো ভাইদের চার-পাঁস মাস ধরে বিরোধ চলছিল। বুধবার রাত ৮ টার দিকে সুমন ও ব্রাহ্মণকাঠী গ্রামের স্বপন সেখের ছেলে শান্তর (২৪) সঙ্গে মুক্তারকাঠী গ্রামের কুদ্দুস মীরের ছেলে রানা’র (২৫) বাকবিতণ্ডা ও মারামারি হয়। এ ঘটনার জের ধরে রাত ৯টার দিকে দুই গ্রুপের লোকজন লাঠি সোটা ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৯ জন আহত হন। এদের মধ্যে মারাত্মক আহত রুমা (২৮), ফারুক (৩০) ও লোকমান ওরফে মিলনকে (৩২) খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) নুরুল ইসলাম বাদল জানান, সংর্ঘষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। পুলিশ এলাকায় অভিযানে রয়েছে।








