ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সরকারের জনবান্ধব নীতি বাস্তবায়ন, দাফতরিক কাজে জনগণের ভোগান্তি কমাতে ও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় দাফতরিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে ই-নথিতে বি ক্যাটগরির জেলাগুলোর মধ্যে ১ম স্থান অধিকার করেছে জামালপুর। সরকারের এপ্রিল মাসের এই মূল্যায়ন সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়। জামালপুর জেলা প্রশাসন সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, দেশের বি ক্যাটাগরিভুক্ত জেলার সংখ্যা ২৭টি। গত বছরের আগস্টেও নথি ডিজিটাইজ করার ক্ষেত্রে জামালপুর জেলার অবস্থান ছিল ২৬তম। ওই মাসের শেষ সপ্তাহে জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোহাম্মদ এনামুল হক। এরপর পিছিয়ে থাকা জেলাটির নথি ডিজিটাইজসহ বিভিন্ন বিভাগকে সক্রিয় করার চলমান উদ্যোগগুলোকে বেগবান করেন তিনি। প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান, সার্বক্ষণিক তাগাদা দেওয়া ও নজরদারি, প্রয়োজনীয় সুবিধা বাড়ানোসহ সব কর্মীকে নিয়ে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করার সুফল তাই হাতে পেলেন তিনি। এ কাজে সক্রিয় অবদান রাখার জন্য সব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এনডিসি মো. আবু আব্দুল্লাহ খাঁন জানান, অল্প সময়ের ব্যবধানে এ অর্জন জেলা প্রশাসকের সৃষ্টিশীলতা, দায়িত্ববোধ, জামালপুর জেলার মানুষের প্রতি ভালবাসা, কঠোর পরিশ্রম আর জেলাবাসীর প্রতি ত্যাগেরই বহিঃপ্রকাশ। শুধু ই-নথিতেই নয় বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলাতেও তার নেতৃত্বে জেলার সকল দফতর একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, জনগণের ভোগান্তি কমাতে স্যারের ( জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক) নির্দেশমতো আমরা সকলেই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি যাতে এই পিছিয়ে পড়া জামালপুর উন্নত ও সমৃদ্ধশালী জামালপুর হয়ে বাংলাদেশের মডেল হতে পারে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, সরকারের জনবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে, জনগণের ভোগান্তি হ্রাস ও সহজ করতেই আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এরই অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ই-নথি তথা অনলাইনে দাফতরিক কাজে একদিকে মানুষ যেমন খুব দ্রুত সেবা পাচ্ছে অন্যদিকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সকল বিভাগের কর্মকর্তাদেরকে আবারও ধন্যবাদ জানাই এবং আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই।








