দিনাজপুরে হিলিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রামন রোধে ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি’ কর্মসূচি চালু করেছে হিলি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। শুধুমাত্র মাস্ক পরিহিত ব্যাক্তিদেরকে পৌরসভা ও পৌর এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, যাদের মাস্ক নেই তাদের ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে পৌরমেয়র জামিল হোসেন কাউন্সিলর ও স্টাফদের নিয়ে পৌরসভার সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করেন। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার সকল প্রবেশপথে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এসময় সেখানে প্যানেল মেয়র মিনহাজুল ইসলাম, কাউন্সিলর ইসরাইল হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এসময় তারা ওই সড়কে চলাচলরত সকল ধরনের যানবাহন চালক ও যাত্রীদেরকে মাস্ক ব্যবহারের জন্য বলেন ও সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের জন্য নাগরিকদের আহ্বান জানান।
হিলি পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ইতোমধ্যেই করোনা সংক্রমনের হার বাড়ার কারণে দিনাজপুর জেলা রেড জোনের মধ্যে পড়েছে। সে তুলনায় হিলি এখনও অনেকটাই ভালো অবস্থানে রয়েছে। সেই অবস্থা ধরে রাখতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। জনগণকে মাস্ক ছাড়া পৌরসভার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এর পরবর্তীতে এ সম্পর্কিত যে আইন রয়েছে সেটি প্রয়োগ ও ফাইনের ব্যবস্থা করা হবে। সেই সঙ্গে নিজেকে, এলাকাকে ও দেশকে সুস্থ রাখতে আমাদের এই কার্যক্রম। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলেই যেন চলাচল করে এজন্য আমাদের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বিরামপুরে মাস্ক কিনে সাজা থেকে রেহাই
এদিকে, জেলার বিরামপুর উপজেলা সদরে করোনাভাইরাসের সংক্রমন রোধে মাস্ক ছাড়া ঘোরাফেরা করা ব্যক্তি ও ৪ টার পরে দোকান খোলা রাখা দোকানিরা নিজের ও পরিবারের জন্য মাস্ক কিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা থেকে রেহাই পেয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে বিরামপুর উপজেলার ঢাকা মোড়ে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এসময় সেখানে মাস্ক ছাড়া চলাচলরত মানুষদের আটক করে ও নির্ধারিত সময়ের পরেও খোলা রাখা দোকানিদের শাস্তিস্বরূপ নিজের জন্য ও পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী বাকিদের জন্য মাস্ক কিনতে নির্দেশনা দেন তিনি। ৫০ জনকে এই ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে মাস্ক নেই এমন অনেককে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজে মাস্ক পরিয়ে দেন। এসময় সেখানে বিরামপুর থানার ওসি মনিরুজ্জামান মনির, বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার আবুল কাশেমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমন রোধে ও জনগণকে করোনাভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করতে এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।








