করোনা সংক্রমনের বিস্তার রোধে পাবনা জেলাকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হওয়ায় সদর ও সুজানগর উপজেলাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ দুটি উপজেলার গ্রাম, পাড়া ও মহল্লাকে ‘লকডাউন’ করা হবে। এছাড়া ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলাকে ইয়েলো জোন এবং বেড়া, সাঁথিয়া, চাটমোহর ও ফরিদপুর উপজেলাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জনসংখ্যা অনুপাতে করোনা আক্রান্তের হার বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল।
তিনি জানান, পাবনায় জেলায় বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত সংখ্যা ২০৯ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১১২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছে। উপজেলা বিবেচনায় পাবনা সদরই করোনা সংক্রমনের দিক দিয়ে শীর্ষে। এছাড়া সুজানগরে ৩৩ জন, সাঁথিয়ায় ১৬ জন, ঈশ্বরদীতে ১৬ জন, আটঘরিয়ায় ১১ জন, ভাঙ্গুড়ায় ১১ জন, চাটমোহরে ০৫ জন, ফরিদপুরে ৪ জন এবং বেড়া উপজেলায় একজন করোনা শনাক্ত হয়েছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে । শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ আছেন।
সিভিল সার্জন মেহেদী ইকবাল জানান, আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৫ জন সুস্থ হয়েছেন। অনেকের মধ্যে কোনও উপসর্গ নেই। প্রায় সবাইকে হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৫ জন। সবার শারীরিক অবস্থা বুঝে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ পর্যন্ত পাবনায় করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ১৬ এপ্রিল। এরপর আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) পর্যন্ত জেলার ৯ উপজেলায় ২০৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হলো।








