বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বারপাইকা গ্রামে ৯৫ বছরের বৃদ্ধা গেনোদা বেপারিকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে তার পুত্রবধূকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে শিখা রানীকে একমাত্র আসামি করে নির্যাতিতার নাতি চন্দন সরকার বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
আগৈলঝাড়া থানার ওসি আফজাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত শিখা রানীকে আটক করি। এ সময় আহত বৃদ্ধাকে প্রয়োজনীয় ওষুধ, ফল এবং খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নির্যাতিতার নাতি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় বৃদ্ধার পুত্রবধূ শিখাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রসঙ্গত, বৃদ্ধা গেনোদা বেপারির শরীরে করোনাভাইরাস রয়েছে এমন সন্দেহ করেন শিখা রানী। কিন্তু, তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করিয়ে তাকে দুই মাস ধরে ঘরের বাইরে একটি মন্দিরের বারান্দায় রাখেন তিনি। বৃদ্ধার ছেলে জগদীশ বেপারি শ্রবণ প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ হওয়ায় তাকে ধমক দিয়ে নিজের পক্ষে রাখতেন শিখা। তারা বৃদ্ধাকে খাবার কম দিতো এবং সময় মতো দিতো না। গত সোমবার দুপুরে ছেলে ও তার বউয়ের কাছে খাবার চান গেনোদা। খাবার না দেওয়ায় তার নামে উত্তোলন করা বয়স্ক ভাতার টাকা চান ছেলের কাছে। এতে তার ছেলে ও পুত্রবধূ শিখা রানী ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে তারা তাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। নির্যাতনের সময় বৃদ্ধার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে জগদীশের স্ত্রী শিখা রানী তাদের গালাগাল করে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে তাদের নামে মামলা করার হুমকি দেয়।
এ সংক্রান্ত আগের সংবাদ:
করোনার ভয়ে বৃদ্ধা মাকে রেখেছে ঘরের বাইরে, খাবার চাইলেই মারধর








