বাড়ির গরু ছিল মাঠে বাঁধা। দুপুরবেলায় হঠাৎ মেঘ করে ঘনিয়ে এলো অন্ধকার। দৌড়ে মাঠে গিয়ে গরুগুলো ঘরে আনার জন্য বের হয়েছিলেন রত্না রাণী। কিন্তু, গরু রক্ষা পেলেও তিনি নিজেকেই বাঁচাতে পারলেন না। হুট করে বজ্রাঘাতে পুড়ে যান তিনি।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজীব কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মারা যাওয়া রত্না রাণী রায় (৪০) কাশিপুর ইউনিয়নের দুলু চন্দ্র রায়ের স্ত্রী বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী জানান, রত্না রাণী দুই-তিনদিন আগে বড়ভিটা ইউনিয়নে বড়ভিটা গ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। বুধবার দুপুরে আকাশে মেঘ করলে রত্না রাণী মাঠ থেকে তাদের গরু আনতে যান। এ সময় বজ্রাঘাতে তার মৃত্যু হয়। রত্না রাণী ওই গ্রামের মৃত রমেশ চন্দ্র রায়ের মেয়ে বলে জানা গেছে।
ওসি রাজীব কুমার রায় জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হবে।








