দেশে এবার স্বস্তিদায়ক পরিমাণ পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। যে ভারতের সিদ্ধান্তের কারণে গতবছর হুট করেই বেড়েছিল পেঁয়াজের দাম সেই দেশ থেকেই এবার আসছে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ। ফলে পেঁয়াজের ভাড়ার উপচে আছে আমদানিকারকদের। এরইমধ্যে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সড়কপথের পাশাপাশি রেলপথ দিয়ে ৫ম দফায় আরও ১৬শ’ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এই পরিমাণ পেঁয়াজ এনেছেন একজন আমদানিকারক। টন থেকে কেজিতে হিসাব করলে তিনি এনেছেন ১৬ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কেজি পেঁয়াজ। আমদানি করা এসব পেঁয়াজ ২১ থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৬টায় হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মেসার্স রাইয়ান ট্রেডার্সের আমদানিকৃত ১৬শ টন পেঁয়াজ নিয়ে ভারতের নাসিক থেকে মালবাহী ট্রেনটি হিলি রেলস্টেশনে এসে পৌঁছে। এর আগে আরও চার দফায় রেলপথ দিয়ে সাড়ে ৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মেসার্স রাইয়ান ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী মো.শহিদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আর কয়েকদিন পরেই মুসলমান সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে দেশে পেঁয়াজের বেশ পরিমাণে চাহিদা বেড়ে যায়। এছাড়াও ঈদ উপলক্ষে টানা ৬দিন আমদানি রফতানি বন্ধ থাকবে। যার কারণে বাড়তি চাহিদা পূরণে ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সড়কপথের পাশাপাশি রেলপথ দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। এতে করে সামনের দিনে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
হিলি রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার তপন কুমার চক্রবর্তী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আজ সকালে আমদানিকৃত পেঁয়াজ নিয়ে ভারতীয় মালবাহী ট্রেনটি হিলি রেলস্টেশনে আসে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলপথ দিয়ে ৪২টি বগি নিয়ে দেশে প্রবেশ করলেও ১০টি বগি ঈশ্বরদীতে রেখে ৩০টি বগি নিয়ে ট্রেনটি হিলি স্টেশনে আসে। ট্রেন থেকে পেঁয়াজ খালাস কার্যক্রম চলছে, এসব খালাস শেষ হলে রাতে আবারও ইঞ্জিনটি দিয়ে বাকি ১০টি বগি নিয়ে কাল সকালে আসবে। এসব খালাস কার্যক্রম শেষ হলে মালবাহী ট্রেনটি দর্শনা হয়ে পুনরায় ভারতে ফিরে যাবে।








