দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটে ঈদে ঘরমুখো মানুষের প্রচণ্ড চাপ দেখা যাচ্ছে। যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন বাহনে করে ঢাকা ও আশেপাশের এলাকা থেকে শিমুলিয়া ঘাটে এসে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিতে করে যাত্রীরা নদী পার হচ্ছেন। ঘাট এলাকায় কমপক্ষে ৫০০ যান ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।
তবে মোটরসাইকেলের চাপ সবচেয়ে বেশি। ঝাঁকে ঝাঁকে মোটরসাইকেলে করে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। আবার ফেরিতে করেও শত শত মোটরসাইকেল পদ্মা নদী পাড়ি দিচ্ছে। নদীতে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে ১৬টি ফেরির মধ্যে মাত্র ১০টি ফেরি চলাচল করার কারণে ঘাটে দীর্ঘ সময় যানবাহনগুলোকে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ জানান, ‘বর্তমানে তিনটি রো রো ফেরিসহ ১০টি ফেরি চলছে। তবে ঘাটের অবস্থা ভয়ঙ্কর। যানবাহনের তুলনায় ঘাটে যাত্রী অনেক বেশি। অন্যদিকে, ফেরি স্বল্পতার কারণে দ্রুত যাত্রী ও যান পার করা যাচ্ছে না। যাত্রী ও মোটরসাইকেলের চাপে অন্য যানবাহন ঠিকমত পার করতে পারছি না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘাটে অনেক সহযোগিতা করছে। তবুও মাঝে মাঝে নিয়ন্ত্রণ থাকে না।‘
এদিকে, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে। কোথাও কোনও যানজট নেই।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার উপরিপর্শক (এসআই) সঞ্জয় কুমার জানান, মহাসড়কে মোটরসাইকেলের চাপ বেশি। অন্যান্য যাত্রীবাহী যান স্বাভাবিক। কোথাও যানজট নেই।
আরও পড়ুন- ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার জট, দুর্ভোগে যাত্রীরা








