বগুড়ার ৯টি পৌরসভায় ৩১ সংরক্ষিত আসনে কাউন্সিলর পদে ১২৫ জন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার মধ্যে স্নাতক ডিগ্রি আছে মাত্র দু’জনের। ১০ জন উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৫ জন এসএসসি বা দাখিল পাশ। স্বশিক্ষিত ২০ জন ও অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন তিনজন। বাকিরা পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইটে প্রার্থীদের হলফনামায় দেখা গেছে, বগুড়া পৌরসভার সাতটি সংরক্ষিত আসনে কাউন্সিলর প্রার্থী ৩৫ জন। এর মধ্যে ১ নং আসনে ছয় প্রার্থীর মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর ডালিয়া খাতুন রিক্তা গ্রাজুয়েট। তিনি এলএলবি পড়ছেন। এ আসনে একজন উচ্চ মাধ্যমিক ও দু’জন এসএসসি পাশ প্রার্থী রয়েছেন।
দুই নম্বর আসনে চারজনের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপি নেত্রী হাবিবা ইয়াসমিন বিউটি শুধু গ্রাজুয়েট। অন্যরা পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। বিউটি জানান, দল এবার তাকে সমর্থন না দিলেও জনগণের চাপে তিনি প্রার্থী হয়েছেন। তার বিশ্বাস ভোটাররা শিক্ষিত ও যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন। এ পৌরসভার পাঁচ নম্বর সংরক্ষিত আসনে চাঁদ সুলতানা অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন।
কাহালু পৌরসভার তিনটি সংরক্ষিত আসনে মোট প্রার্থী ১০ জন। এর মধ্যে এক নম্বর আসনে আছমা বেগম স্বশিক্ষিত। তিন নম্বর আসনে রশিদা আকতার বাবলী এসএসসি পাশ।
গাবতলী পৌরসভায় তিনটি সংরক্ষিত আসনে আটজন নারী প্রার্থী হয়েছেন। এক নম্বর আসনে শিমু আকতার, দুই নম্বর আসনে আঞ্জুয়ারা বেগম এবং তিন নম্বর আসনে মালেকা বেগম স্বশিক্ষিত এবং তিন নম্বর আসনে আফরোজা বেগম অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন।
ধুনট পৌরসভায় তিনটি সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হয়েছেন ১২ জন। এর মধ্যে এক নম্বর আসনে ফিরোজা বেগম ও মদিনা খাতুন, দুই নম্বর আসনে মর্জিনা খাতুন ও শিউলী আকতার এবং তিন নম্বর আসনে আলেকা বেগম স্বশিক্ষিত।
নন্দীগ্রাম পৌরসভায় তিনটি সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হয়েছেন ১১ নারী। এখানে এক নম্বর আসনে খালেদা বেগম ও রত্না বেগম, দুই নম্বর আসনে পরিমন বেগম এবং তিন নম্বর আসনে অনিতা রানী, নাজিয়া খাতুন, জীবন নেছা ও ববিতা বেগম স্বশিক্ষিত।
শিবগঞ্জ পৌরসভায় তিনটি সংরক্ষিত আসনে আটজন প্রার্থী হয়েছেন। এর মধ্যে তিন নম্বর আসনে শাহানাজ বেগম এসএসসি পাশ। অন্যরা সকলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন।
শেরপুর পৌরসভায় তিনটি সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী হয়েছেন ১২ জন। এর মধ্যে দুই নম্বর আসনে জোসনা বেগম ও মমতা বেগম স্বশিক্ষিত। একজন উচ্চ মাধ্যমিক ও অন্য তিনজন এসএসসি পাশ।
সারিয়াকান্দি পৌরসভায় তিনটি আসনে সর্বোচ্চ ১৭ জন প্রার্থী। এর মধ্যে দুই নম্বর আসনে জুলেখা বেগম স্বশিক্ষিত। এখানে তিনজন উচ্চ মাধ্যমিক এবং একজন এসএসসি পাশ।
সান্তাহার পৌরসভায় তিনটি সংরক্ষিত আসনে ১২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে এক নম্বর আসনে কামেলা জহুরা স্বাক্ষর করতে পারেন। দুই নম্বর আসনে জহুরা বেগম স্বশিক্ষিত। এ পৌরসভায় দু’জন উচ্চ মাধ্যমিক ও দু’জন এসএসসি/দাখিল পাশ।
সাধারণ ভোটাররা জানান, একজন নারী কাউন্সিলর মূল্যবান কাগজপত্র সত্যায়িত করাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন। তাই প্রার্থীদের শিক্ষিত হওয়া প্রয়োজন। তারা পৌর নির্বাচনে শিক্ষিত প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে ভোটারদের অনুরোধ জানিয়েছেন।
/এফএস/








