দেশের সর্ব উত্তরের জেলা নীলফামারীতে শীত জেঁকে বসেছে। কনকনে ঠাণ্ডার সঙ্গে কুয়াশা মেশানো হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়ে অসহনীয় হয়ে উঠেছে। দিন-দুপুরেও মিলছে না সূর্যের দেখা। এর ফলে বৃদ্ধি পেয়েছে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার প্রকোপ। প্রচণ্ড শীতে বয়স্করা পড়েছেন বেকায়দায়। উত্তরে হিমালয় বেষ্টিত হওয়ার কারণে শীতের প্রথম প্রকোপটা পড়ে নীলফামারী জেলায়।
অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পরা এ জেলার সাধারণ মানুষ শীতের কারণে পরেছে নানা বিড়ম্বনায়। বিভিন্ন ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ ভির করছে নীলফামারী সদর হাসপাতালে।
এ ব্যাপারে শিশু বিষেজ্ঞ ডা. এনামুল হক বলেন, শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছে শিশু ও হাঁপানি রোগীরা।
আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. হাসিনুর রহমান বলেন, শীতজনিত রোগে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই কোল্ড ডায়রিয়া নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের রোগী।
সোমবার সকালে সরেজমিন হাসপাতালে ঘুরে দেখা যায়,শীতজনিত ডায়রিয়ার কারণে ৭ জন,অন্যান্য ঠাণ্ডাজনিত রোগে শিশু ৪৭, ১৪ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
অপরদিকে,নিম্ন আয়ের মানুষ ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার জন্য পুরনো কাপড়ের দোকান ও সম্ভাব্য জায়গায় ঘুরে গরম কাপড় কিনছেন। অন্যদিকে যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল তারা মার্কেট থেকে গরম কাপড় কেনাকাটা করছেন। শীতের কারণে গরম কাপড়ের দামও দিতে হচ্ছে বেশি। এছাড়া গ্রামের সাধারণ মানুষ খড়-খুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক মো. জাকীর হোসেন বলেন, এ পর্যন্ত জেলায় ৬ হাজার পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। চাহিদা সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্ধ পেলে আরও বিতরণ করা হবে।
/জেবি/
/আপ:আরএ/








