আটকে পড়া ভারতীয় পাসপোর্টধারীরা গত ১০ দিন ধরে তাদের নিজ দেশে ফিরছেন। ভারত সরকারের শর্ত মেনে এখন পর্যন্ত তিন হাজার ১৭৮ জন সেখানে ফিরে গেছেন। এই সময়ের মধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছেন ৪৮১ জন।
বাংলাদেশে আটকা পড়া ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীরা পাঁচ মাসের বেশি সময় পর গত ১৮ আগস্ট থেকে নিজ দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ে নিজ দেশে ফিরে গেছেন তিন হাজার ১৫২ জন ভারতীয়। আর বাংলাদেশি নাগরিক গেছেন ২৬ জন। ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছেন ৪৫৫ জন বাংলাদেশি এবং ২৬ জন ভারতীয় যাত্রী।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণ দেখিয়ে ১৩ মার্চ থেকে ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত সরকার। এতে করে ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীরা আটকা পড়েন বাংলাদেশে। ১৮ আগস্ট ভারতীয় হাই কমিশনারের অনুমতিপত্র ও সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে ভারতে প্রবেশের শর্ত দেয় ভারত সরকার। এই শর্ত মেনে গত ১৮ আগস্ট সকাল থেকে ভারতে প্রবেশ করতে শুরু করেন ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীরা। পাশাপাশি জরুরি কাজে দুই-একজন বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রীকেও ভারতে যেতে দেখা গেছে।
ভারতীয় নাগরিক গঙ্গাধর বলেন, ‘আমার বাড়ি দার্জিলিং। এ বছরের মার্চ মাসে ফরিদপুরের রাজবাড়ির এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম। দীর্ঘদিনের এই আতিথেয়তা সারা জীবনেও ভুলবো না। আসলেই বাংলাদেশিরা খুবই উদার মনের।'
বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান হাবীব জানান, ভারত সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশে আটকা পড়া ভারতীয় নাগরিকরা দেশে ফিরে যাচ্ছেন। বাংলাদেশি যাত্রীরাও অনেকে শর্তসাপেক্ষে ভারতে প্রবেশ করছেন। তবে ভারত থেকে ফেরা যাত্রীর সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে।








