মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট সাংবাদিক ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী। তার ইচ্ছা অনুযায়ী বাবা মৌলবী সিদ্দিকুর রহমান ও মা নুরের নেছার কবরের পাশে মঙ্গলবার বাদ আছর তাকে দাফন করা হয়। এর আগে দাগনভূঞার বাসুদেরপুর গ্রামে তার মা-বাবার নামে স্থাপিত হাইস্কুল মাঠে চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বিকাল চারটায় দাগনভূঞা সদরে আতাতুর্ক হাইস্কুল মাঠে উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া গার্ড অব অনার শেষে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ড. ফেরদৌস আহমেদে কোরেশীর তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে জানাজা শেষে তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, ড. কোরেশীর স্ত্রী নিলুফার চৌধুরী, ছোট ভাই ইকবাল আহমেদ। জানাজা শেষে তার মরদেহ বহনকারী গাড়িটি ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
উল্লেখ্য, সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির (পিডিপি) চেয়ারম্যান ফেরদৌস আহমেদে কোরেশী মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ২০১৫ সালের ২১ অক্টোবর ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কোরেশী। প্রায় অর্ধমাস ওই হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। এরপর বিছানা হয় তার একমাত্র ঠিকানা। প্যারালাইজড হওয়ায় ইশারায় কথাবার্তা বলতেন তিনি।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী নিলুফার চৌধুরী, এক ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য স্বজন, ভক্ত ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।








