নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তল্লা এলাকায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের লাশ দাফন কাফনের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। এরই মধ্যে তল্লা সবুজবাগ খেলার মাঠে খাটিয়া প্রস্তুতসহ দাফন বিষয়ক অন্যান্য কার্যক্রম এগিয়ে রাখা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাশ বহনের জন্য দুটি পিকআপ ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে যারা নিহত হয়েছেন তাদের দাফন-কাফনের জন্য নগদ সরকারি সহায়তা দিতে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের গেটেই নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন। যদি কেউ নিজ দায়িত্বে নিজ নিজ জেলায় লাশ নিয়ে যেতে চান তাদের জন্য সেভাবে ব্যবস্থা করা হবে। আর কেউ যদি লাশ নিয়ে নারায়ণগঞ্জে আসতে চান সেই ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে লাশ নিয়ে আসার পর যাতে নিহতের স্বজনরা দাফনের জন্য নিতে পারেন সেজন্য সবুজবাগ খেলার মাঠে ১৬ খাটিয়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাতে করে খুব সহজেই নিহতের স্বজনরা তাদের লাশ বুঝে নিতে পারেন।
জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন আরও জানান, ‘সকালে আমিসহ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটের মহাপরিচালকসহ ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেছি। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নারায়ণগঞ্জের মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য। সেই আলোকে বার্ন ইউনিটের প্রতিটি ডাক্তার অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।’
আরও পড়ুন-
সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ ও এসির অবস্থা পরীক্ষা করার নির্দেশ
মসজিদে বিস্ফোরণ: দুটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত হচ্ছে
পরিবার যেভাবে চাইবে সেভাবেই লাশ হস্তান্তর করা হবে
‘মা তুমি ভাত খেয়ে ঘুমাও আমি নামাজে যাই’
নারায়ণগঞ্জের দগ্ধদের স্বজনদের জন্য পুলিশের হটলাইন
নারায়ণগঞ্জে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
এসি বিস্ফোরণে আহতদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশ
বাবার সঙ্গে প্রতিদিন নামাজে যেত শিশু জুবায়ের








