আগামী ডিসেম্বরে বগুড়ার ৯টিসহ ২৩৪টি পৌরসভায় ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরপর থেকেই সম্ভব্য প্রার্থীরা নড়েচড়ে বসেছেন। দলীয় ও স্বতন্ত্র পরিচয়ে অনেকে এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। নিজ নিজ দলের ও জনগণের মন জয়ে দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তারা।
বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ্ জানান, মেয়াদ শেষ হতে চলা ৯টি পৌরসভার নির্বাচনের ব্যাপারে এখনও কোনও নির্দেশনা আসেনি। নির্দেশনা এলে প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
বগুড়া নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দেশের ৩০০ পৌরসভার মধ্যে গত ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর একযোগে ২৩৪টিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বগুড়ার ১২ পৌরসভার মধ্যে রয়েছে, বগুড়া সদর, শেরপুর, সারিয়াকান্দি, গাবতলী, সান্তাহার, কাহালু, ধুনট, নন্দীগ্রাম ও শিবগঞ্জ। নির্বাচন কমিশন মেয়াদোত্তীর্ণ হতে থাকা এসব পৌরসভায় আগামী ডিসেম্বরে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ঘোষণা আসার পরপরই বগুড়ার ৯টি পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীরা সরব হয়েছেন। এই সংখা অর্ধশতের বেশি। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা নানাভাবে তাদের প্রার্থিতার কথা জানান দিচ্ছেন। অনেকে ফেসবুকে প্রচার শুরু করেছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ইতোমধ্যে মাঠে নেমে পড়েছেন। বিএনপির প্রার্থীরা কেন্দ্রের দিকে চেয়ে আছেন।
আগামী পৌরসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু জানান, এখন পর্যন্ত কোনও নির্দেশনা আসেনি। অনেকেই দলীয় প্রার্থী হতে চাইছেন; জনসংযোগ করছেন। তবে কেন্দ্র থেকে যেভাবে নির্দেশনা দেবে, সেভাবেই কাজ করা হবে।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট একেএম সাইফুল ইসলাম জানান, পৌর নির্বাচনে প্রার্থিতার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তিনি নিজেসহ অনেকে দলীয় প্রার্থী হতে দলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন বলেও জানান তিনি।








