পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ কোন কর্তৃত্ব বলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আছেন তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। উপজেলা পরিষদের ওই নির্বাচনে পরাজিত হওয়া নৌকার প্রার্থী হোসাইন মোসারেফ সাকুর করা এ বিষয়ে রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে বাদী হোসাইন মোসারেফ সাকুর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক ও আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।
গত ২০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদনটি দায়ের করেছিলেন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত পরাজিত প্রার্থী হোসাইন মোশারেফ সাকু।
রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে এলজিআরডি সচিব, নির্বাচন কমিশন, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (জেনারেল), মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রিয়াজ উদ্দিন আহমেদকে।
২০১৯ সালের ১৮ জুন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে তিনজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন করে মোট নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এতে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হোসাইন মোশারফ সাকুকে পরাজিত করে স্বতন্ত্র প্রার্থী রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বিজয়ী হন। ওই বছরের ২৭ জুন এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়।
রিটকারী হোসাইন মোশারেফ সাকু বলেন, উপজেলা নির্বাচনের বিধিমালা অনুযায়ী ২৫০ জন ভোটারের স্বাক্ষর না নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া এবং একই উপজেলার এলজিইডির ঠিকাদার থাকায় রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদের পদে থাকার বৈধতা নিয়ে এ রিট করি।








