দাগনভূঞায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার দায়ে কবির আহমদ (৩৮) নামে এক ভ্যানচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে ঘটনাটি টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে কামাল উদ্দিন (৪৮) নামে এক স্থানীয় সালিশদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বৈইঠারপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হলে শনিবার (১০ অক্টোবর) স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রায়হান জড়িতদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে আনে এবং বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করে। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার কবির আহমদ বৈঠারপাড় গ্রামের মৃত জালাল আহমেদের ছেলে। আর কামাল উদ্দিন একই গ্রামের মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
দাগনভূঞা থানার ওসি আসলাম সিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় শনিবার মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর শিশুর মা। শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। রবিবার (১১ অক্টোবর) গ্রেফতারদেরকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
মামলার এজাহারের বিবরণে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর দুপুরে পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বৈইঠারপাড় গ্রামের ভোলাভালা খাল নামক স্থানে শিশুটি খেলতে যায়। এসময় তাকে একা পেয়ে ভ্যানচালক কবির আহমদ কাপড় খুললে শিশুটি কান্নাকাটি শুরু করে। এক পর্যায়ে কবির আহমদ শিশুটিকে দশ টাকার নোট দিয়ে কান্নাকাটি থামায়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে ঘটনা তার মাকে জানায়। পরে শিশুটির মা ঘটনাটি বাড়ির লোকজনকে ও স্থানীয় সালিশদার কামাল উদ্দিনকে এ কথা জানান। তবে সালিশদার কামাল উদ্দিন ভ্যানচালক কবির আহমদ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দেয়।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রায়হান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ঘটনাটি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানার পর শনিবার দুপুরে জড়িতদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে আনা হয় এবং বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করি। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে বলে জানান তিনি।








