গাজীপুরের গৃহবধূ বিথী আক্তার ওরফে দিনার (১৮) নামে এক গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে তার স্বামী ও শাশুড়ি। বিথী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ভেদুঘর এলাকার আমির হোসেনের মেয়ে। শনিবার (১০ অক্টোবর) নিহতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপির) বাসন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুম হোসেন খান লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এসআই মাসুম হোসেন খান জানান, প্রায় ৬ মাস আগে প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গাজীপুরে এসে ইয়াসিন সিকদারকে বিয়ে করেন বিথী। ইয়াসিন সিকদার ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ভিন্নারিয়া গ্রামের জামাল সিকদারের ছেলে। বিয়ের পর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নলজানী এলাকার গ্রেটওয়াল সিটিতে বেলায়েতের বাসায় বসবাস করছেন ইয়াসিন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া চলছিলো। ইয়াসিন শুক্রবার রাতে বাসায় ফিরে বিথীকে ঘরের বিছানার ওপর অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এসময় তার মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিলো। রাতে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে শনিবার সকালে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্বামী ও শাশুড়ি তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক বিথীকে মৃত ঘোষণা করলে স্বামী ইয়াসিন ও তার মা লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ওই হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে শুক্রবার সন্ধ্যার পর বিথী বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের মুখে ফেনা ও বিষের গন্ধ রয়েছে। তবে এ ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান তিনি।








