ধর্ষক-নিপীড়কদের উদ্দেশ্যে প্রতীকী ডাস্টাবিন স্থাপনের মাধ্যমে থুতু ও ময়লা ফেলে ঘৃণা প্রদর্শন করেছেন মানিকগঞ্জবাসী। জেলার বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ধর্ষকদের প্রতি থুতু মেরে ঘৃণা প্রদর্শন করেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে জেলা শহরের শহীদ রফিক চত্বরের পূর্ব পাশে মানিকগঞ্জ নিপীড়ন বিরোধী ছাত্র জোটের আয়োজনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
এসময় ধর্ষক-নিপীড়কদের ঘৃণা ও এদের সামাজিকভাবে বয়কট করার আহবান জানান নিপীড়ন বিরোধী ছাত্র জোট। সংগঠনটি জানায়, ধর্ষণ ও নিপীড়নরোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ যেমন প্রয়োজন, তেমনি পরিবার, স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে সামাজিক এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে ধর্ষণবিরোধী নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে। দেশের বিচারহীনতার কারণে ধর্ষণের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ধর্ষণ নিপীড়ন সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হচ্ছে।
ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যদণ্ড আইনকে স্বাগত জানিয়ে সংগঠনটি পক্ষ থেকে বলা হয়, এ আইন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। দলমত নির্বিশেষে এ আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণ- নারীর প্রতি সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সংগঠনটি দাবি করে, পাঠ্যপুস্তকে নারীর প্রতি অবমাননা-বৈষম্যমূলক যেকোনও প্রবন্ধ, পরিচ্ছদ, ছবি, নির্দেশনা ও শব্দচয়ন পরিহার করতে হবে। ধর্মীয় সব ধরনের সভা-সমাবেশে নারীবিরোধী বক্তব্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ নিপীড়ন বিরোধী ছাত্র জোটের আহবায়ক এম আর লিটন, সদস্য সচিব রাসেল আহম্মেদ, যুগ্ম আহবায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম, অনিকা হোসাইন, রোকনুজ্জামান রাসেল ও শাহিনুর রহমান, জাকির হোসেন রুবেল, মাহবুবুল আলম প্রমুখ।








