বগুড়ার গাবতলীতে শামীম হোসেন (২৪) নামে নিখোঁজ এক দাদন ব্যবসায়ীকে গলাকাটা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপানো লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৯ নভেম্বর) সকালে বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে সোনাকানিয়া বিলে লাশটি পাওয়া গেছে। গাবতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল খালেক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শামীম হোসেন গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের শাহাদত হোসেনের ছেলে। তিনি দাদন ব্যবসা অর্থাৎ সমিতির মাধ্যমে সুদে টাকা ধার দিতেন। তিনি একই গ্রামে নানা সামাদ পাইকারের বাড়িতে বসবাস করতেন। শামীম গত ৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কোথায় খুঁজে না পাওয়ায় তার মামা ও ব্যবসায়িক পার্টনার মহিদুল ইসলাম পরদিন গাবতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ৯ নভেম্বর সোমবার সকালে নানাবাড়ি থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে সোনাকানিয়া বিলে কচুরিপানার মধ্যে তার পঁচন ধরা লাশ পাওয়া যায়।
গাবতলী থানার এসআই আবদুল খালেক জানান, নিহত শামীমের গলা কাটা, ঘাড়, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মামা মহিদুল ইসলাম জানান, তার ভাগ্নে সমিতির মাধ্যমে দাদন ব্যবসা করতেন। টাকা লেনদেন নিয়ে কিছু ব্যক্তির সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ছিল। তার ধারণা, এ কারণে শামীমকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
গাবতলী সার্কেলের সিনিয়র এএসপি সাবিনা ইয়াসমিন জানান, এটি ক্লুলেস মার্ডার। তার দাদন ব্যবসার লেনদন ও নারী ঘটিতসহ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে। তিনি আশা করেন, শিগগিরই হত্যারহস্য ও জড়িতদের শনাক্ত করা যাবে।








