চালককে হত্যা করে লেগুনা ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি ইমনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানিয়েছে সংস্থাটি। নিহত চালকের নাম নাজমুল।
র্যাব-৭ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জানিয়েছেন, আসামি ইমনকে কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর আগে গত ৮ নভেম্বর রাতে নাজমুল লেগুনায় করে ভাড়ায় যাত্রী নিয়ে মদুনাঘাট এলাকায় যান। সেখানে পৌঁছার পর তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। দুইদিন পর র্যাব সদস্যরা অনন্যা আবাসিক এলাকার পাশে চন্দ্রবিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
লেগুনা চালক নাজমুল গোপালগঞ্জ জেলার ব্রাহ্মণডাঙ্গা এলাকার মজনু শেখের ছেলে।
ঘটনার পর র্যাব-৭ চান্দগাঁও ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট আলী আশরাফ তুষার জানিয়েছেন, ৮ নভেম্বর রাতে নাজমুল তার লেগুনায় যাত্রী ভাড়া নিয়ে মদুনাঘাট এলাকায় যান। সেখানে পৌঁছার পর পরিবারের সঙ্গে নাজমুলের কথা হয়। কিন্তু রাত ২টার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পরদিন তার বাবা মজনু শেখ পাহাড়তলী থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে আমাদের বিষয়টি অবহিত করলে আমরা এ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করি। এক পর্যায়ে আমরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রাজুকে আটক করি। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাজমুলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে নাজমুলকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ‘ইমন নামে এক যুবকের বোনের বিয়ের কথা বলে রাজু সাগরিকা এলাকা থেকে নাজমুলের লেগুনা ভাড়া করেন। ভাড়া নিয়ে মদুনাঘাট যাওয়ার পর লেগুনাটি ছিনতাই করে তার কাছে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তারা নাজমুলকে গলা কেটে হত্যা করে। পরে মরদেহ চন্দ্রবিল এলাকায় ফেলে আসে।








