গাইবান্ধার পলাশবাড়ি পৌরসভার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর)। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা চলবে ভোটগ্রহণ। পৌর এলাকার ১৬টি কেন্দ্রেই ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) পদ্ধতিতে ভোট নেওয়া হবে। এজন্য বুধবার (৯ ডিসেম্বর) পলাশবাড়ি উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় (সার্ভার স্টেশন) থেকে সব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের হাতে ইভিএমসহ নির্বাচনি সামগ্রী তুলে দেন জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটানিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোত্তালিব। বিশেষ নিরাপত্তার মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোতে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনি সরঞ্জাম।
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন পলাশবাড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহীনুর আলম। তিনি জানান, ইতোমধ্যে সব কেন্দ্রে ইভিএমসহ নির্বাচনি সামগ্রী পৌঁছে গেছে। ভোটের দিন কোনও অনিয়ম, সহিংসতা সহ্য করা হবে না। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে পৌঁছে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য পুরো নির্বাচনি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে। পৌর এলাকার ১৬টি ভোট কেন্দ্রের ৯৪টি কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোট গ্রহণে ১৬ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৯৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১৮৮ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত পলাশবাড়ি পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে দলীয় প্রার্থী, একজন বিদ্রোহী প্রার্থী এবং বিএনপির দলীয় প্রার্থীসহ মোট ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ২২ জন এবং সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৮৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।
নবগঠিত পলাশবাড়ি পৌরসভায় মোট ৩১ হাজার ৬০২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৫ হাজার ৩৩৫ জন এবং নারী ভোটার ১৬ হাজার ২৬৮ জন।
প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে অস্ত্রসহ দুজন পুলিশ, ১০ জন আনছার ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এছাডাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচনি এলাকায় পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবসহ আনসার সদস্যরা সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি নির্বাচনি এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন জুডিসিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।








