ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে ভাসতে বঙ্গোপসাগরের ভারতীয় জলসীমায় চলে যাওয়ার ১৫ দিনের মাথায় সে দেশীয় কোস্টগার্ড ট্রলারটিকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মোংলায় অবস্থিত বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোন সদর দফতরে উদ্ধার হওয়া ওই ট্রলার ও জেলেদের আনা হয়। এরপর ট্রলার মালিককে তার ট্রলার ও জেলেদের বুঝিয়ে দিয়েছে মোংলা কোস্টগার্ড। ট্রলার মালিক ও জেলেদের বাড়ি কক্সবাজারে।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা) মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম হামিদুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রাম থেকে এফভি রানা নামের ফিশিং ট্রলারটিতে করে ১৯ জন জেলে গত ১৫ নভেম্বর গভীর সাগরে মাছ ধরার জন্য যায়। এরপর ২৩ নভেম্বর ট্রলারটির প্রোপেলর (পাখা) ভেঙে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এটি ভাসতে ভাসতে ভারতীয় জলসীমায় চলে যায়। প্রায় ১৫ দিন ধরে মাঝ সমুদ্রে ভাসার পর ভারতীয় কোস্টগার্ড ট্রলারটিকে দেখতে পায়। ৮ ডিসেম্বর ভারতীয় কোস্টগার্ড ওই ট্রলারটিকে উদ্ধার করে ৯ ডিসেম্বর ভোর ৬টায় বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ জলসীমায় টহলরত কোস্টগার্ডের জাহাজ সোনার বাংলার কাছে হস্তান্তর করে। এরপর ১০ ডিসেম্বর দুপুরে ট্রলারটিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মোংলাস্থ পশ্চিম জোন সদর দফতরে আনা হয়। পরে ফিশিং ট্রলার ও জেলেদের ট্রলার মালিক মো. রানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই ঘটনা প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক শুধু জোরদারই করবে না; বরং ভবিষ্যতে দুই দেশের কোস্টগার্ডের পারস্পরিক সহযোগিতাও অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম হামিদুল ইসলাম।








