কৃষি যন্ত্র আমদানির ঘোষণা দিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে আনা কন্টেইনার খুলে তাতে কসমেটিকস সামগ্রী পেয়েছে কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চালানটির কায়িক পরীক্ষার সময় কন্টেইনারগুলোতে শুল্কের ৫০ টন প্রসাধনী সামগ্রী পেয়েছেন কাস্টমস হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ শাখার কর্মকর্তারা। এর মাধ্যমে আড়াই কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে।
কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করছেন। কন্টেইনার খুলে তাতে জনসন, সানসিল্ক, ডাব শ্যাম্পু, পালমোলিভ সোপ ও শাওয়ার জেল, ডাব শোপ, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি এবং জিলেট শেভিং ফোম পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান।
রেজাউল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ঢাকার চকবাজারের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স সালেহা ট্রেডিং পাওয়ার টিলারের লাঙ্গল ঘোষণা দিয়ে সিঙ্গাপুর থেকে তিন কন্টেইনার পণ্য নিয়ে আসেন। গত ১১ জানুয়ারি এমভি এক্সপ্রেস কাবরু জাহাজে চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর ১১ মাস পার হতে চললেও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পণ্য খালাসের জন্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। চালানটিতে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ঘোষণা বর্হিভূত পণ্য এনেছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে কাস্টমস হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ শাখা আজ চালানটি কায়িক পরীক্ষার উদ্যোগ নেয়। বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিকালে কায়িক পরীক্ষার সময় তিনটি কন্টেইনার খুলে তাকে কৃষি যন্ত্রের পরিবর্তে উচ্চ শুল্কের প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, চালানটির মাধ্যমে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রায় আড়াই কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অপচেষ্টা করেছিল। মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানির ঘটনায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। চালানটির মাধ্যমে অর্থ পাচার করা হয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।








