সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে আট জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যসহ ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এবং একটি লাইসেন্সকৃত বন্দুক জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, নাদামপুর গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী সিরাজ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের নজির হোসেনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) গ্রামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর চল্লিশ দিনের শিরনীতে সিরাজ মিয়ার সঙ্গে নজির হোসেনের পক্ষের লোকজনের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকালে নজির হোসেনের পক্ষের লোকজনের হাতে সিরাজ মিয়া লাঞ্ছিত হন। এরপর সিরাজ মিয়ার পক্ষের লোকজন বন্দুক দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছু্ড়ে। এতে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। গুলিবিদ্ধ আট জনকে প্রথমে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠান।
আহতরা হলেন, ফটিক মিয়া (৩৫), বিবিনুর বেগম (৫০), ফাতেমা বেগম (১৪) ,আব্দুল আলীম (৩০), হাফিজুর রহমান (২৫), মিটু মিয়া(২২), তাসলিমা(১৪), রুমেজ মিয়া (৩২)।
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক শাহ আলম সিদ্দিকী জানান, গুলিবিদ্ধ আট জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় একটি বন্দুক জব্দ করা হয়েছে ও ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।








