ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এখনও পৌঁছেনি শতভাগ বই

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯:১৯আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯:৩৫

নতুন বই (সংগৃহীত ছবি)

আর দুইদিন পরেই শুরু হবে নতুন বছর। প্রতি বছরই বই উৎসবের মাধ্যমে বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন বই। কিন্তু এ বছর এখনও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছেনি শতভাগ বই। এতে করে বছরের প্রথমদিন সকল শিক্ষার্থীদের হাতে শতভাগ বই তুলে দিতে না পারার শঙ্কা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল সোমবার বিকেল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের চাহিদার ৭৪ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চাহিদার মাত্র ১৬ দশমিক ৪২ শতাংশ পাঠ্যবই  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছেছে। তবে প্রাক-প্রাথমিকের শতভাগ পাঠ্যবই জেলায় পৌঁছেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর প্রাক প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ৮৩ হাজার ১২২টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে। চাহিদার সকল বই পৌঁছেছে।

অপরদিকে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের জন্য ২৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩০টি পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত চাহিদার মধ্যে ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৩১০টি বই পৌঁছেছে। অর্থাৎ বই পৌঁছেছে চাহিদার ৭৪ দশমিক ০৬ শতাংশ।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মাধ্যমিক, দাখিল ও ইবতেদায়ি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪২ লাখ ৬০ হাজার ৮২১টি পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল।

এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৩৩ লাখ ৯১ হাজার ১৩৮টি বইয়ের চাহিদা রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ৫ লাখ ৩৪ হাজার ১২৯টি বই পৌঁছেছে। ইবতেদায়ির শিক্ষার্থীদের জন্য চাহিদার ২ লাখ ৩৫ হাজার ৫১০ পাঠ্যবইয়ের মধ্যে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭২টি বই। আর দাখিলের জন্য ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৪৫৪টি পাঠ্যবইয়ের  চাহিদার একটি বইও পৌঁছেনি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার খোরশেদ আলম বলেন, করোনা সংক্রমণের কারণে বিদ্যালয়েই বছরের প্রথম দিন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেবেন। তিনি বলেন, গত শনিবার থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে বই পাঠানো শুরু হয়েছে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ শুরু হবে।

এ ব্যাপারে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফি উদ্দিন বলেন, জেলায় মাধ্যমিক, দাখিল ও ইবতেদায়ির শিক্ষার্থীদের জন্য ৪২ লাখ ৬০ হাজার ৮২১টি পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত চাহিদার ১৬ দশমিক ৪২ শতাংশ পাঠ্যবই পেয়েছি। তবে, মঙ্গলবারের রাতের মধ্যে আরও বই আসার কথা রয়েছে। নতুন বছর শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আমরা সকল শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিতে পারবো। বই নিয়ে কোনও ধরনের সমস্যা হবে না।

/টিএন/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম