পৌর নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। শনিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে শহরের বাহিরগোলা বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) বাসুদেব সিনহা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আহতদের মধ্যে ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল, মোহাব্বত আলী, পিয়ার খান, শরিফুল, ইসমাইল, সবুজ, সেলিম ওরফে কালা গ্যাদা, রবিউল বানী, মুন্না, রকি ও বিজয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়,বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) পৌর নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে শাহেদনগর গ্রামের পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী শাহাদত হোসেন বুদ্দিন ও নতুন ভাঙাবাড়ি মহল্লার শাহাদত হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্ট হয়। এই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার দিনভর দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে।
শনিবার সকালে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও নতুন ভাঙাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েলকে মারধর করে বুদ্দিনের সমর্থকরা। এতে নতুন করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে।
নব নির্বাচিত কাউন্সিলর শাহাদত হোসেন জানান,নির্বাচনে পরাজিত হয়ে বুদ্দিন তার বাহিনী নিয়ে নতুন ভাঙাবাড়ি গ্রামবাসীর ওপর দফায় দফায় হামলা চালায়।
শাহাদত হোসেন বুদ্দিন জানান,নতুন ভাঙাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনার সময় আমার অ্যাজেন্টদের মারধর করে ফল পরিবর্তন করায় এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।
নির্বাচনি সহিংসতার জের ধরে দফায় দফায় এই সংঘর্ষ ঘটেছে বলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান।
/জেবি/এমএসএম/এইচকে/








