জামাল হোসেন (৪৫) যেভাবে পায়ে ব্যান্ডেজ বেঁধে প্রাইভেটকারের ভেতরে বসেছিল তাতে যে-কেউ ভাববে তার পা ভাঙা। কিন্তু পুলিশের সন্দেহ হওয়ায় এবার ধরা পড়েছে সে। তার ব্যান্ডেজ বাঁধা পায়ের ভেতরে অভিনব কায়দায় সাজানো ছিল ৪৮ বোতল ফেনসিডিল।
বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে জামালকে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল গ্রামের (সাতমাইল-গোগা রোড) তিন রাস্তার মোড় থেকে আটক করা হয়। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে পায়ের ব্যান্ডেজের আড়ালে রয়েছে ফেনসিডিল।
জামাল হোসেন মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার পয়সা গ্রামের দেওয়ান সামাদের ছেলে।
যশোর পুলিশের সিনিয়র এএসপি জুয়েল ইমরান (নাভারণ সার্কেল) বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর ছিল প্রাইভেটকারে ফেনসিডিল বহন করা হচ্ছে। আটক জামাল পঙ্গুর ছদ্মবেশে ফেনসিডিল বহন করছিল।’ তিনি জানান, এরপর জামালকে শার্শা থানায় আনা হয়। সেখানে সংবাদকর্মী ও স্থানীয়দের সামনে নিজ হাতে সে তার ডান পায়ের ব্যান্ডেজ কাটে এবং সেখানে থাকা ৪৮ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়।
এএসপি জুয়েল ইমরান আরও বলেন, ‘আটক জামাল স্বীকার করেছে, বিভিন্ন সময় সে সীমান্ত এলাকা থেকে ফেনসিডিল সংগ্রহ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করেছে।’
পুলিশ জানায়, জামালের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যশোরের ঝিকরগাছা থানায় একটি চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে। প্রাইভেটকার চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।









