বাগেরহাটের চিতলমারীতে ভাইরাসে দিশেহারা টমেটো চাষিরা

বাগেরহাট প্রতিনিধি
০৫ জানুয়ারি ২০১৬, ০৭:৩০আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০১৬, ০৭:৪০

Bagerhat Photo(04বাগেরহাটের চিতলমারীতে টমেটো চাষ করে বিপাকে পরেছে কয়েকশ’ চাষি। ভাইরাসে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাদের ক্ষেতের ফসল। এতে চাষিদের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া, কলাতলা, হিজলা, শিবপুর, চিতলমারী সদর, চরবানিয়ারী ও সন্তোষপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ চিংড়ি ঘেরের পাড় ও ফসলি জমিতে এ বছর ব্যাপক ভাবে টমেটোর চাষ করা হয়েছে। গায়ের ঘাম পায়ে ফেলে এটি চাষ করেছেন চাষিরা।
ধান চাষের চেয়ে টমেটো চাষ লাভজনক হওয়ায় এটি চাষ করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখেছেন এখানকার চাষিরা। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন এখন ভেস্তে যেতে বসেছে। এলাকার অধিকাংশ টমেটো ক্ষেতে এখন ব্যাপক আকারে ভাইরাস দেখা দিয়েছে। ফলে ক্রমেই ক্ষেতের গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে চাষিদের এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে।
গত কয়েক বছর ধরে চিংড়ি চাষ করে প্রচুর লোকসান গুনতে হয়েছে এখানকার চাষিদের। কিন্তু সবজি ও অন্যান্য ফসল চাষের মাধ্যমে লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠলেও এ বছর টমেটো চাষ করে ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন এ সব চাষিরা। ফলে দেনার দায়ে জর্জরিত অনেক চাষি এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। বেঁচে থাকার মত  অবলম্বন দেখছেন না তারা।
গরীবপুর গ্রামের টমেটো চাষি কালিদাস জানান, তিনি ৪ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করেছেন। তার পুরো ক্ষেতের গাছই ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এ ছাড়া ওই গ্রামের সুভাষ সিংহের আড়াই বিঘা, তাপস মন্ডলের ৩ বিঘা, বিষ্ণু মন্ডলের ৪ বিঘা, চিন্ময় মন্ডলের ১ বিঘা, সৈয়দ আলীর ৩ বিঘাসহ কয়েকশ’ চাষির ক্ষেতের একই অবস্থা দেখা দিয়েছে।

টমেটো চাষি তাপস মন্ডল ও কালিদাস জানান, বিভিন্ন এনজিও ও  ব্যাংক ও সুদেকারবারীদের কাছ থেকে অধিক মুনাফায় টাকা এনে চাষাবাদে ব্যয় করেছেন কিন্তু  এখন ক্ষেতের গাছ মরে যাওয়ায় দেনা শোধ দেবার মতও কোন উপায় দেখছেন না তারা। এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষি অফিস চাষিদের কোনও প্রকার সহযোগিতা করছে না বলেও অভিযোগ এসব চাষিদের।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান জানান, ভাইরাসে টমেটো গাছ মারা যাবার মত কোনও খবর তার জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে  দেখা হচ্ছে।

/আরএ/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম