পাবনা জেলা যুবদলের কমিটি বাতিল এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযুক্ত নেতাদের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন জেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রবিবার (২১ মার্চ) দুপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। পরে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন– পাবনা জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ামিন খান ও ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসলিম হাসান খান সুইট।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন– পাবনা জেলা যুবদলের দফতর সম্পাদক আবু রায়হান নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের রাফি আনাম, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সোমনাথ বাগচী, মীর রকিবুল ইসলাম কমল, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক একে এম ইমরান মানিক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম জনি প্রমুখ।
এ সময় সাংগঠনিক সম্পাদক মনির আহমেদ বলেন, ‘পাবনা জেলা যুবদলের অবৈধ কমিটি আমরা মানি না, এই কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারি বিভিন্ন ইউনিটে কমিটি দেওয়ার নাম করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন এবং নেতাকর্মীদের সর্বস্বান্ত করে দলবিমুখ করেছেন। যার ফলে জেলা যুবদলের কমিটি নেতাকর্মীদের আস্থা হারিয়েছে।’
সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসলিম হাসান খান সুইট বলেন, ‘গ্রাম-গ্রঞ্জে পাড়ামহল্লায় রব উঠেছে জেলা যুবদল টাকার বিনিময়ে দলীয় পদ বিক্রি করে এবং তার সুস্পষ্ট প্রমাণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেছে। অবিলম্বে জেলা যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত করে সভাপতি সঞ্জু ও সেক্রেটারি হিমেলকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হোক। আমাদের এই দাবি মানা না হলে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং এই অবৈধ কমিটি দেওয়ার পেছনে যাদের হাত আছে তাদের পাবনা থেকে উচ্ছেদ করবো।’
এ সময় শত শত নেতাকর্মীর ‘যুবদলের এই কমিটি মানি না, মানব না’ স্লোগানে মুখরিত হয় বিক্ষোভ সমাবেশ।
উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি নোটিশে পাবনা জেলা যুবদলের সভাপতি মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইউনিটে কমিটি প্রদানে অর্থনৈতিক লেনদেন ও সংগঠনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধ দেখানো হয়। ২৪ মার্চের মধ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারির সামনে উপস্থিত হয়ে এ বিষয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।









