স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান, মার্কেট ও শপিংমল খোলার সিদ্ধান্তে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট দিয়ে রাজধানীতে ঢাকায় ফিরছেন দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীরা। লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে করে যাত্রীদের পদ্মা নদী পার হতে দেখা যায়। এ সময় প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কিছু ট্রলার ও স্পিডবোটেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের পদ্মা পার হতে দেখা গেছে। মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় কোনও যান দেখা যায়নি। ঘাট এলাকা একদম ফাঁকা। তবে বাংলাবাজার ঘাটে যান ও যাত্রীদের কিছুটা চাপ পরিলক্ষিত হয়।
অন্যদিকে, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় নানারকম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। পিকআপ, মাইক্রোবাস, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল যোগে যাত্রীরা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাংলাবাজার ঘাটে আসছেন। আবার নদী পার হয়ে শিমুলিয়া ঘাটেও যান সংকটে পড়ছেন তারা। কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনে এবং কয়েকটি যান বদলে কর্মস্থলে যাচ্ছেন তারা।
ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা বলেন, ‘চাকরি রক্ষার জন্য বাধ্য হয়ে কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে। কিন্তু, গণপরিবহন চালু না থাকায় আমাদের কয়েক দফা যান বদলে ও বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক (এজিএম) শফিকুল ইসলাম জানান, শিমুলিয়া ঘাটে কোনও চাপ নেই। তবে, বাংলাবাজার ঘাটে যান ও যাত্রীদের কিছুটা চাপ আছে। নৌরুটে নয়টি ফেরি চলছে। ঘাটে গাড়ি রানিং আছে। ফেরির জন্য কোনও যানকে অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না।









