নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের এমপি ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকার একটি বক্তব্যকে ‘শিষ্টাচার লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আবদুল্লাহ আল কায়সার। এসময় তিনি ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেওয়াসহ লিয়াকত হোসেনকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় অচিরেই উপজেলা আওয়ামী লীগ কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

শনিবার দুপুরে তিনি সোনারগাঁও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সোনারগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থিতা নিয়ে কায়সারের সঙ্গে লিয়াকত হোসেন খোকার পূর্ব বিরোধ প্রকট আকার ধারণ করে। কারণ লিয়াকত ওই নির্বাচনে কায়সার মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন না করে, নব নির্বাচিত পৌরমেয়র আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাদেকুর রহমানকে সমর্থন করেছিলেন।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল-কায়সার বলেন, পৌরসভার গোয়ালদী এলাকায় বাহাউল হক টেকনিক্যাল ইনস্টিটটিউটে সম্প্রতি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ করে বলেছেন ‘পৌরসভা নির্বাচনের পর এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকেও শয়তানদের বিতাড়িত করা হবে।’ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে দেওয়া এ ধরনের বক্তব্য ন্যাক্কারজনক, অসম্মানজনক, ঔদ্ধত্যপূর্ণ, কুরুচিপূর্ণ ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত দাবি করে তিনি এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানান।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় পার্টির বর্তমান সংসদ সদস্য ক্ষমতার ভারে হয়তো ভুলে গেছেন বিগত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুগ্রহ ও দয়ায় তিনি আজ সংসদ সদস্য হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান আহাম্মেদ মোল্লা বাদশা, শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সোহেল রানা প্রমুখ।
এ ব্যাপারে কথা বলতে একাধিকবার লিয়াকত হোসেন খোকাকে ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
/জেবি/টিএন/








