চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় আরও তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৭০-৮০ কিলোমিটার দূরে বরিশাল অঞ্চল থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন তিনজনের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন চাঁদপুরের হাইমচরের ঈশানবালার নার্গিস বেগম, একই এলাকার আহমদ উল্যাহ শিকদার এবং তিন বছরের এক শিশু। দুইদিনে এ নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় সাতজনের লাশ উদ্ধার হলো। এখনও দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন।
নিহত নার্গিস বেগমের স্বামী শাহ আলম জানান, বরিশাল থেকে লাশ উদ্ধারের পর তারা ট্রলারযোগে হাইমচরের কালিখোলার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
গত মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ‘এমভি রবিন’ নামের ট্রলারটি হাইমচরের তেলিরমোড় থেকে ঈশানবালায় যাচ্ছিল। ঘন কুয়াশায় সকাল ১০টার দিকে মেঘনা নদীর মাঝখানে ট্রলারটিকে একটি তেলবাহী ট্যাংকার ধাক্কা দেয়। এতে অর্ধশত যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
যাত্রীদের অনেকে সাঁতরে তীরে উঠলেও নিখোঁজ হন ৯ জন। এর মধ্যে ৫ দিন পর রবিবার উদ্ধার করা হয় হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী এলাকার জামাল বেপারীর ছেলে ১৭ মাসের শিশু ফাহিম, গৃহবধূ আলেয়া বেগম ও তার চার বছরের মেয়ে স্বর্ণা এবং লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা কুচ্চামারা গ্রামের চার বছরের শিশু মানিক।
/বিটি/এইচকে/








