সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি সালাহউদ্দিন (২৯) এবং ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ইশতিয়াক আহমেদ আশিককে (২৭) একই সঙ্গে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
নিহত সালাহ ওই ইউনিয়নের জুমাইনগর গ্রামের আহসান হাবিবের ছেলে এবং আশিক বিয়াঘাট ইউনিয়নের মোল্লাবাজার এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে।
অপরদিকে ওই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত একই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় রাণীনগর গ্রামের অধিবাসী আরিফুর রহমান (২৭) ঘটনার পর থেকেই অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। তার অবস্থাও শঙ্কটাপন্ন। মাঝে মাঝেই তাকে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম জানান, রবিবার সকাল ৯টায় নাজিরপুর ইউনিয়নের হামলাইকোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে একসঙ্গেই নিহত দুই জনের জানাজা হয়। এরপর সালাহকে জুমাইনগর ও আশিককে হামলাইকোল গোরস্তানে দাফন করা হয়।
এ ছাড়া রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরিফুর রহমানের অবস্থাও শঙ্কটাপন্ন দাবি করে তিনি জানান, রবিবার ভোর থেকেই তার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। অচেতন অবস্থাতেই তাকে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছে।’
প্রসঙ্ত, শনিবার রাতে ব্যক্তিগত কাজে ওই তিন জন একই মোটরসাইকেলে পাবনা থেকে কুষ্টিয়া যাচ্ছিলেন। রাত ৭টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুন্নার মোড় এলাকায় তাদের মোটরসাইকেলের সঙ্গে রাজশাহীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই আশিক এবং রামেকে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই সালাহ মারা যান।









