বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলায় নিখোঁজের চারদিন পর একটি মাছের ঘের থেকে শিশু সজিব মজুমদারের (১৩) পেটকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিশু বাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
গত শনিবার সন্ধ্যায় সজিবের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় রবিবার সকালে নিহতের বাবা সঞ্জিত মজুমদার বাদি হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অশোক হালদার,অশ্রু হালদারের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সঞ্জিত মজুমদারের সাথে একই গ্রামের অতুল হালদারের পুত্র অশোক হালদার এবং অশ্রু হালদারের সাথে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিলো। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন আগে মারামারির ঘটনাও ঘটে। ওই ঘটনার জেরধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হতে পারে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান,পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শিশু সজিবকে হত্যার পর লাশ গুমের জন্য পেট কেটে ঘেরে ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ বাদির এজাহারের অভিযোগের বিষয়টিকে আমলে নিয়ে তদন্তের কাজ শুরু করেছে।
স্থানীয়রা জানান, সজিব মঙ্গলবার সকালে তার দাদা যোগেশ মজুমদারের সাথে বাটরা বাজারে এসে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়। পরে কোনও সন্ধান না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নিখোঁজ সজিবের বাবা সঞ্জিত মজুমদার আগৈলঝাড়া থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেন।
এদিকে শিশু সজিবের লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত অশোক হালদার এবং অশ্রু হালদারসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপন করেছেন।
/এসএনএইচ








