বগুড়া সদরে রংপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের চাপায় বাদশা মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে গোকুল এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
হাইওয়ে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ বাসটি জব্দ এবং চালক ইয়াসিন আলীকে (৪০) গ্রেফতার করেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
পুলিশ, এজাহার সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত বাদশা মিয়া বগুড়া সদরের গোকুল উত্তরপাড়ার মৃত অহিদ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই এলাকার ‘মায়ের দোয়া’ নামে একটি নার্সারির মালিক ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি গোকুল এলাকায় মহাসড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঢাকা ছেড়ে আসা রংপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের বাস তাকে চাপা দেয়। মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাদশা মারা যান।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটির চালক নারায়ণগঞ্জ সদরের খানপুর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে ইয়াসিন আলীকে আটক করে। এরপর তারা বাসটি ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে বগুড়া থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলেন। আগুনে বাসের সিটগুলো পুড়ে যায়।
হাইওয়ে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, আগুন দেওয়া বাসটি জব্দ ও চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনের ৯৮ ও ১০৫ ধারায় (বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে মানুষ হত্যা) মামলা করেছে। নিহত বাদশা মিয়ার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।









