সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার রুটি গ্রামের প্রবাসী জুনায়েদের বাড়িতে চলছে আহাজারি। তার মরদেহ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা ও এলাকাবাসী।
জানা গেছে, এক বছর আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন জুনায়েদ মিয়া। জুনায়েদ সে দেশের দাম্মাম শহরের আল ফাহাদ নামে একটি কোম্পানিতে শ্রমিকের কাজ করতেন। রবিবার সৌদি আরবের সময় সকাল ১০টার দিকে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। দুর্ঘটনার একঘণ্টা পর এক প্রবাসী সহকর্মীর মাধ্যমে গ্রামের বাড়িতে খবরটি পৌঁছে। এর পর থেকে জুনায়েদের পরিবারে শুরু হয় শোকের মাতম। বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন জুনায়েদের মাসহ পরিবারের সদস্যরা।
আহাজারি করতে করতে জুনায়েদের মা তাসলিমা বেগম বলেন, ‘অনেক স্বপ্ন নিয়ে আমার ছোট ছেলে জুনায়েদ সৌদি আরবে গিয়েছিল। যাওয়ার আগে বলেছিল, “আম্মা সংসারে যে দারিদ্র্য আর থাকবে না। আপনি চিন্তা করবেন না।” ‘ কথা বলতে বলতে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন জুনায়েদের মা। তিনি সন্তানের মরদেহ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের মাটিতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
কান্নাজড়িত কন্ঠে জুনায়েদের ছোটবোন স্বর্ণা বলেন, ‘বিদেশ ভাইকে হারাতে হবে এটি কখনও ভাবিনি! আমার ভাইয়ের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
পরিবারের তিন ভাইবোনের মধ্যে জুনায়েদ ছিলেন দ্বিতীয়। নিহতের বাবা হামিদুল ইসলাম সৌদি আরবের মক্কায় প্রবাসী হিসেবে আছেন।









