প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক আন্তক্যাডার বৈষম্য নিরসন, সুপার নিউমারারি পদে পদোন্নতি, অধ্যাপক পদ তৃতীয় গ্রেডে উন্নীতকরণসহ বিভিন্ন দাবিতে গত ১০ অক্টোবর থেকে সারা দেশে একযোগে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা কর্মবিরতি পালন করছেন।
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির আহ্বানে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করেছেন বোর্ডে কর্মরত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা।
বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, পদোন্নতিতে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছে শিক্ষা ক্যাডার। যোগ্যতা থাকার পরেও সময়মতো পদোন্নতি না হওয়ায় অনেকে ১০ বছর যাবৎ এক পদেই রয়েছেন। পদোন্নতির সব শর্ত পূরণ করেও পদোন্নতির অপেক্ষায় আছেন সাত হাজারের অধিক কর্মকর্তা। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে এসব সমস্যা নিরসনে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান তারা।
তাদের অন্য দাবিগুলো হচ্ছে– অর্জিত ছুটি প্রদান এবং ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা নিয়োগবিধি বাতিল, শিক্ষা ক্যাডারের তফসিলভুক্ত পদ থেকে শিক্ষা ক্যাডার বহির্ভূতদের প্রত্যাহার, জেলা উপজেলায় শিক্ষা ক্যাডার নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা প্রশাসন সৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় পদসৃজন, পদসৃজনে জটিলতা কাটানো।
কর্মবিরতিতে উপস্থিত ছিলেন– কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. জামাল নাছের, সচিব প্রফেসর নূর মোহাম্মদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. জহিরুল ইসলাম পাটোয়ারি, বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মো. আজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) মোহাম্মদ ছানাউল্লাহ, উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, উপ-কলেজ পরিদর্শক বিজন কুমার চক্রবর্তী, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (সনদ) ড. মো. শফিকুল ইসলাম, উপ-সচিব (প্রশাসন) একেএম সাহাব উদ্দিন, উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহিদুল হক, উপ-সচিব (একাডেমিক) মোহাম্মদ সাফায়েত মিয়া, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।









