কুমিল্লার লাকসামে মো.হোসেনকে মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের জন্য হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। হোসেন স্থানীয় মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
ময়না তদন্তের পর সোমবার বিকালে শিশুর মরদেহ তার বাড়িতে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে সোমবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল ও পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসক নিহতের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে নিহতের পিতা বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে লাকসাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

লাকসাম থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, লাকসাম উপজেলার চুনাতি চাঁদপুর এলাকার অটোরিকশাচালক মোস্তফা কামালের ছেলে মো. হোসেন শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজন পার্শ্ববর্তী একটি ডোবায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার রাতে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তার কপাল ও ঠোঁটে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহের পাশ থেকে বিড়ি সিগারেটের পোড়া অংশ ও দিয়াশলাই উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় শিশুটির কাছে একটি মোবাইল ফোন ছিল। এটি ছিনতাইয়ের জন্য এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।
পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন বলেন, আমরা গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি তদন্ত করছি।
/জেবি/টিএন/








