আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা এবং ভোটারদের চাপ প্রয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আসনটির স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান ভূঁইয়া।
বুধবার সকালে সেনবাগের নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনে আতাউর রহমান ভূঁইয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘গত সোমবার সন্ধ্যায় কেশারপাড় ইউনিয়নে নির্বাচনি সভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোরশেদ আলমকে জুতা দিয়ে মারার চেষ্টা করে এক যুবক। পরে ওই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আলা উদ্দিন নামের ওই যুবক ছাড়াও আরও ১১ জনকে আসামি করা হয়। ওই ১১ জনের সবাই আমার সমর্থক ও কর্মী। ওই মামলায় আসামি করা হয়েছে আমার ছোট ভাই প্রকৌশলী আনিসুর রহমানকে। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন– আমার কাঁচি প্রতীকের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট সেনবাগ পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু জাফর টিপু, সেনবাগ উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাজেদুল হক তানভীর।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কাঁচির কর্মী-সমর্থকদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যে এবং ভোটারদের মাঝে ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য নৌকার প্রার্থী পরিকল্পিতভাবে এসব ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছেন।
আতাউর রহমান ভূঁইয়া রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।









