বরিশাল নগরীর পলাশপুর এলাকায় কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মামলায় রাসেল নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন বিচারক। মামলার ১০ বছর পর সোমবার বিকালে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
রাসেল নগরীর পলাশপুর ৮ নম্বর গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা মো. সিদ্দিকের ছেলে।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী মো. হুমায়ুন কবির মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, ২০১৩ সালের ২৩ আগস্ট প্রতিবেশীর ঘরে একা অবস্থান করা ১৩ বছরের ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে রাসেল। মেয়েটি সবার কাছে বিষয়টি বলে দেবে জানালে রাসেল তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে পলাশ মোল্লা নামে একজনের সহায়তায় আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে।
তিনি আরও জানান, মেয়েটির মা ঘরে এলে ওই দুই জনকে পালিয়ে যেতে দেখেন এবং মেয়েকে ঝুলতে দেখে ডাক-চিৎকার দেন। এ ঘটনায় ২৪ আগস্ট ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় রাসেল ও পলাশকে অভিযুক্ত করা হয়।
২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার এসআই কামাল হোসেন ওই দুই জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন। নয় জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রাসেলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারক। আর পলাশ শিশু হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে চলছে।









