খুলনার পাইকগাছায় চোখ ও মুখে সুপার গ্লু দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ এখনও কথা বলতে পারছেন না।
মঙ্গলবার ওই গৃহবধূর স্বামী জানান, তার স্ত্রী কথা বলতে পারছেন না এখনও। কথা বলতে পারলে প্রকৃত ঘটনা জেনে-বুঝে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেবেন। এই মুহূর্তে তার স্ত্রী অসুস্থ। আগে তাকে সুস্থ করা জরুরি। সবাই হাসপাতালে থাকায় বাড়িতে ক্ষতির হিসাব করা যাচ্ছে না। তবে কান থেকে দুল টেনে নেওয়ায় তার স্ত্রীর দুই কানের লতি কেটে গেছে। সেলাই করা হয়েছে।
পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমান বলেন, ‘ওই ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। তাই মামলাও হয়নি। তবে পুলিশ থেমে নেই। অপরাধীদের শনাক্ত করতে তৎপর রয়েছে।’
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মো. কনক হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালে ওই রোগীকে আনার সময় চোখের পাতা ও ঠোঁট আঠা দিয়ে লাগানো ছিল। রোগীর শরীরে আঁচড়ের দাগ ও আঘাতের চিহ্ন ছিল।’
খুমেক হাসপাতালের ওসিসির সমন্বয়কারী সুমন রায় বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ওই গৃহবধূর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। অসুস্থতার কারণে রোগীকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, অভিযোগ ওঠে, ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে বাড়িতে চুরি ও ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেশীরা তাকে ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে হাত-পা বাঁধা ও চোখে-মুখে সুপার গ্লু লাগানো অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে।









