রোদ ঝলমলে আকাশ, স্বস্তিতে সুনামগঞ্জবাসী

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
০৭ জুন ২০২৪, ১৮:০৫আপডেট : ০৭ জুন ২০২৪, ১৮:০৫

গত তিন দিন বৃষ্টি না হওয়ার পাহাড়ের ঢলের পানি কমে যাওয়ায় সুনামগঞ্জের প্লাবিত এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। হাওর ও নদীর পানি কমছে। সীমান্ত এলাকার পাটলাই, যাদুকাটা, চলতি চেলা, সোনালি চেলা ও খাসিয়া মারা নদীর পাহাড়ি ঢলের পানিপ্রবাহ হ্রাস পেয়েছে।

সদর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের কৃষক তাজুল ইসলাম বলেন, ‘চার দিনে দেড়-দুই হাত পানি কমেছে। হাওরে পানি বেশি হলে আমরা ২২ সালের ভয়াবহ বন্যার কথা ভেবে আতঙ্কিত হই। আজ চার দিন ধরে কড়া রোদ উঠেছে, তাই এখন দুশ্চিন্তা কেটেছে।’

একই গ্রামের ফারুক মিয়া বলেন, ‘দুই-আড়াই মাস হাওরে পানি ছিল না। ১০-১৫ দিন হয় পানি আইছে। এখন আমরার সুবিধা হইসে, নৌকা দিয়ে বাজার-হাটে যেতে পারবো।’

গোয়াচূরা গ্রামের আব্দুল লতিফ বলেন, ‘পানি বাড়তির সময় বাড়ির ৫-৬ হাত লামাত আছিল, অখন আর নামছে।’

পানি এখনও ঘরবাড়িতে ওঠেনি শহরের এইচ এমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র নাহিদ বলেন,  ‘শহরের চিপাচাপায় হাওরে ভিডিও করে কেউ কেউ ফেসবুকে ছেড়ে দেয়। এভাবে গ্রামের মানুষকে আরও আতঙ্কে ফেলা হয়। কারণ এখনও হাওর পুরোপুরি পানিতে ভরে ওঠেনি। কিছু মানুষ হাওরে ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে মানুষকে ভয়ভীতি মধ্যে ফেলে দেয়।’

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘হাওরের পানি সড়ক থেকে দুই-তিন হাত নিচে। কোনও ঘরবাড়িতে পানি ওঠেনি। চার দিন ধরে কড়া রোদ। হাওরগুলো এখনও পুরোপুরি পানিতে ভরেনি। আপাতত বন্যা হওয়ার মতো কোনও পরিস্থিতি নেই।’

এদিকে, জেলার ২৬টি নদীর পানি বিপদসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এখন ছোট-বড় ১৩৭টি হাওর স্বাভাবিক পানিতে ভরে উঠছে। জেলার হাওরগুলো প্রতিবছর জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সাত মাস পানিতে ডুবে থাকে। এটি হাওরের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, ‘হাওর ও  নদীর পানি কমছে। সীমান্তের নদীগুলোর পাহাড়ি ঢলের পানিপ্রবাহ হ্রাস পেয়েছে।’

/এমএএ/
সম্পর্কিত
‘ঋণ পরিশোধ করমু নাকি সংসার চালামু, এই চিন্তায় ঘুম আয় না’
সুনামগঞ্জে বৃষ্টিতে হাওরে ফের বাড়ছে পানি, বাকি ধান নিয়ে উদ্বেগ
হাওরের ফসল ডোবায় কে
সর্বশেষ খবর
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম