যশোরে পুলিশ ফাঁড়ির মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে মারপিটের অভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। মামলায় শাহীন নামে অপর এক ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য কোতয়ালি থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী পিপি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আইনজীবী সমিতির (দ্বিতীয় ভবন) সামনের ফুটপাতে কিছু ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী টেবিল পেতে কাপড় বিক্রি করেন। সেখানে এক ব্যবসায়ীকে জোর করে উঠিয়ে, অন্য একজনকে বসান শাহীন নামে এক ব্যক্তি। এ সময় ওই ব্যক্তি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির নির্দেশে তিনি এ টেবিল বসিয়েছেন। এটি কেউ উঠালে তার হাত কেটে নেওয়া হবে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষ পার্শ্ববর্তী পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দেন।
‘এরপর ফাঁড়ির এসআই হেলাল মীমাংসার জন্য গত রবিবার ৯ (জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শাহীনসহ অন্য ব্যবসায়ীদের ডেকে পাঠান। একইসঙ্গে তাকেও (আওয়ামী লীগ নেতা ও পিপি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে) ফাঁড়িতে ডেকে নেন। কিন্তু হঠাৎ করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন একদল যুবক নিয়ে ফাঁড়িতে আসেন। তিনি মুস্তাফিজুর রহমান মুকুলকে “ধান্দাবাজি করিস” উল্লেখ করে মারপিট শুরু করেন। এসময় বাড়াবাড়ি করলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।’
এদিকে, পিপিকে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আইনজীবী সমিতির সামনে মানববন্ধন করেন আইনজীবীরা। তারা এ ঘটনাকে ন্যক্কারজনক উল্লেখ করে নিন্দা জানানোর পাশাপাশি অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি করেন।









