
যশোরের বসুন্দিয়া বাজারে ছাত্রশিবিরের আঞ্চলিক অফিসের পেছনে বাংকার নির্মাণের সময় আটক ১২ জনকে পুলিশ এখনও (শুক্রবার বেলা ১২টা পর্যন্ত) আদালতে সোপর্দ করেনি। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন জানান, আটককৃতদের রাতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এছাড়া সকালে পুলিশের একটি দল ঘটনা তদন্তে বসুন্দিয়া এলাকায় গিয়েছে। তারা না ফেরা পর্যন্ত আটককৃতদের বিষয়ে কিছুই বলা যাচ্ছে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আটককৃতদের বেশিরভাগই নির্মাণ শ্রমিক। এদের মধ্যে জামায়াত-শিবিরের কতজন রয়েছে তা এখন বলা যাচ্ছে না।
ওসি বলেন, পুলিশের তদন্ত টিম ফিরে আসার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাদের কখন আদালতে সোপর্দ করা হবে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোরের বসুন্দিয়া বাজারের গাইদগাছি এলাকায় শিবিরের আঞ্চলিক অফিসের পেছনে একটি বাগানের মধ্যে ‘বাংকার’ নির্মাণ করার সময় পুলিশ ১২ জনকে আটক করে। ওই এলাকার শিবিরের নেতা রাশেদুল ইসলামের মেহগনি বাগানের ভেতরে একটি ৩২ ফুট লম্বা, ১২ ফুট চওড়া এবং ৮ ফুট গভীর একটি ‘বাংকার’ নির্মাণ করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১২ জনকে আটক এবং ১০টি বোমা, ২ কেজি জালের কাঠি, ২ কেজি কাচের টুকরো, পটাশ আধা কেজি, সাইকেলের বল ২৫০ গ্রাম, বারুদ ২০০ গ্রাম, ১৫টি লাঠি এবং একটি জামায়াতের গঠনতন্ত্র ও প্রচার বই উদ্ধার করা হয়।
জামায়াতে ইসলামী অবশ্য দাবি করেছে, এটি নির্মাণাধীন একটি বাড়ির বেজমেন্ট। নিচে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ঘর নির্মাণ করা হচ্ছিল।
/বিটি/এসটি/








