৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের সঙ্গে সঙ্গে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছিল দুর্বৃত্তরা। ইতোমধ্যে সেটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা নিজেদের ‘দখলে’ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার সকালে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়কে নিজেদের কার্যালয় দাবি করে ব্যানার টাঙিয়ে দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের খাগড়াছড়ির সমন্বয়ক আসাদুল্লাহ বলেন, এখন থেকে কার্যালয়টি খাগড়াছড়ি জেলা সংস্কারের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এটি দখল করা হয়নি, দুর্বৃত্তরা আগুন দেওয়ার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পালিয়ে গিয়েছিলেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর দোকান মালিক আমাদের কাছে ভাড়া দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়ার খবরে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছিল দুর্বৃত্তরা। ওই দিন দুপুর আড়াইটা থেকে রাতের আড়াইটা পর্যন্ত আগুন জ্বলতে দেখা যায়। খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা চার দফায় আগুন নেভালেও কিছুক্ষণ পরপর আগুন দেখা যায়। সর্বশেষ রাত আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একই দিন জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত অফিস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করা হয়। খাগড়াছড়ি পৌরসভা, টাউনহলসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। ভয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পালিয়ে যান। শুধু জেলার নেতাকর্মীরা নয়, একই পরিস্থিতির শিকার হন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও। পুলিশ কর্মস্থলে না থাকায় নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি দুর্বৃত্তদের।









