বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নে নির্বাচনি সহিংসতায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাহাতাব আলী (৫৫) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। এর প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ কর্মীরা বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি অফিসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।

সোমবার রাতে জামতলা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাতেই পুলিশ ১০ ব্যক্তিকে আটক করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে এ খবর পাঠানোর সময় পর্যন্ত মামলা হয়নি। বর্তমানে ওই এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের দু’জনকে শিবগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে দুই আওয়ামী লীগ কর্মী হলেন শিবগঞ্জের খাদইল গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন সোনামিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম (২২) ও একই এলাকার মৃত কাশেমের ছেলে মোজাফ্ফর হোসেন (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত মাহাতাব আলী খাদইল গ্রামের মৃত বদরুদ্দিনের ছেলে, বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল গফুরের ভাগিনা এবং শিবগঞ্জ উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক। ওই ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ওবাইদুর রহমানের সমর্থকরা জামুরহাটে এক ব্যক্তির জায়গায় জোর করে নির্বাচনি অফিস বানায়। বিষয়টি পছন্দ না হওয়ায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল গফুরের সমর্থকরা জায়গার মালিককে সঙ্গে নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় অফিসটি ভেঙে ফেলে। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জের ধরে রাত ১০টার দিকে জামতলা খাদইল বন্দরে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভাগিনা মাহাতাব আলী ছুরিকাহত এবং তার সঙ্গে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মী আমিরুল ইসলাম ও মোজাফফর হোসেনসহ ৬ জন আহত হন। মাহাতাবকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।








