নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় এক তরুণীকে অপহরণ চেষ্টার সময়ে বাধা দেওয়ায় তার বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে কথিক প্রেমিকসহ তার বন্ধুরা। ওই সময়ে এলাকাবাসী ধাওয়া করে ৮জনকে আটক করেছে। এসময় অপহরণ কাজে ব্যবহৃত দুটি মাইক্রোবাস আটক ও একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার ভোর ৫টায় ফতুল্লার রগুনাথপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন নজরুল ইসলাম (৩৫), মনির হোসেন (৩৪), জাহিদ (২০), সুশান্ত (১৯), জুয়েল (২৫), নিয়াজ (৩৪), বাবু (২১) ও হৃদয় (২৬)।
নিহতের নাম মনীন্দ্র অধিকারী (৪৫)। মনীন্দ্রনাথ সপরিবারে দীর্ঘদিন যাবত ফতুল্লার রঘুনাথপুর এলাকায় এনামুলের বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করেন। তার গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার ধলগ্রাম থানার কৃষ্ণকলি এলাকায়। মনীন্দ্রের বাবার নাম অপেন্দ্রনাথ। তিনি রাতে একটি বাসায় প্রহরীর কাজ করতেন এবং দিনে রিকশা চালাতেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল হোসেন পরিবারের বরাত দিয়ে জানান,মনীন্দ্র অধিকারীর তিন মেয়ের মধ্যে মেঝ মেয়ের সঙ্গে ঢাকার তুহিন নামে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর মধ্যে বাবা তার বিয়ে ঠিক করেন পাগলার এক ছেলের সঙ্গে। মেয়েটি এ বিয়েতে রাজি না হয়ে তার প্রেমিক তুহিনকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে বুধবার সকাল ৬টার দিকে দুটি মাইক্রোবাস নিয়ে তুহিনসহ তার বন্ধুরা রঘুনাথপুরের বাড়ি থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় বাবাসহ পরিবারের লোকজন বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়ের বাবা মনীন্দ্র অধিকারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তুহিন ও তার বন্ধুরা। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আশেপাশের লোকজন জড়ো হয়ে অপহরণকারীদের মধ্যে ৮জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে পালিয়ে যায় প্রেমিক তুহিন।








