কুমিল্লায় যৌথ বাহিনীর আটকের পর যুবদল নেতা তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুর ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা করেছেন তার স্ত্রী ইয়াসমিন নাহার। মামলায় ছয় জনের নাম উল্লেখসহ এবং অজ্ঞাত ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম।
ওসি জানান, ‘নিহত তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী ইয়াসমিন নাহার ছয় জনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও ২৫ জনের নামে অভিযোগ দাখিল করা হয়। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সেটিকে মামলা হিসেবে আমলে নেওয়া হয়।’
মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন– সদর উপজেলার পান্ডানগর এলাকার সাইফুল ইসলাম, ইটাল্লা এলাকার তানজিল উদ্দিন, নাজমুল হাসান টিটু, খায়রুল হাসান মাহফুজ, সাইদুল ইসলাম সবুজ এবং বামইল এলাকার সোহেল।
মামলার এজাহারে তৌহিদুলের স্ত্রী ইয়াসমিন নাহার উল্লেখ করেন, জমিজমার বিরোধের জেরে আসামিদের যোগসাজশে তৌহিদুলকে হত্যা করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার রাতে তৌহিদুলের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন কুমিল্লা সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক।
উল্লেখ্য, কুমিল্লায় যৌথবাহিনীর পরিচয়ে পাঁচথুবীর বাড়ি থেকে তুলে আনা হয় তৌহিদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবদল নেতাকে। আহত অবস্থায় ৩১ জানুয়ারি দুপুরে গোমতীর বেড়িবাঁধ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এই ঘটনায় যৌথ বাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডারকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ঘটনাটি তদন্তে সেনাবাহিনীর একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন এবং তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের সেনা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।









