কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ২৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বুধবার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, প্রদত্ত (কাস্ট) ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলার নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুঞ্জুরুল আলম জানান, জামানত ফিরে পাওয়ার জন্য প্রার্থীকে এককভাবে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেতে হয়। কিন্তু তারা কেউই এ ভোট পাননি। এজন্য তারা তাদের জামানত ফেরত পাবেন না।
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া ২৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন- লতিবাবাদ ইউনিয়নের মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন (জাতীয় পার্টি), আশরাফুল আলম (স্বতন্ত্র), মো. কামাল উদ্দিন (স্বতন্ত্র)। বিন্নাটি ইউনিয়নের এবিএম মহিউদ্দিন আহমেদ (স্বতন্ত্র), মো. আখতারুজ্জামান (স্বতন্ত্র)। রশিদাবাদ ইউনিয়নের একেএম রেজাউল হক (জাতীয় পার্টি), মো. দেলোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র)। বৌলাই ইউনিয়নের মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), মো. তোফাজ্জল হোসেন কাদের (স্বতন্ত্র), মো. সাইফুল ইসলাম বাবুল (স্বতন্ত্র), মো.হাদিউল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)। চৌদ্দশত ইউনিয়নের মো. আ.করিম (স্বতন্ত্র), মো. জাহাঙ্গীর আলম (স্বতন্ত্র)। মহিনন্দ ইউনিয়নের মো.নূরুল হুদা (স্বতন্ত্র), হোসাইন আহমাদ শামীম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)। কর্শাকড়িয়াইল ইউনিয়নের মুর্শিদ উদ্দিন ভূঁইয়া (স্বতন্ত্র), মো. কামাল উদ্দিন (স্বতন্ত্র), মো. মস্তফা কামাল (স্বতন্ত্র), মো. শফিকুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)। যশোদল ইউনিয়নের মো. রুকন উদ্দিন (বিএনপি), মো. শামছুল হুদা (স্বতন্ত্র)। দানাপাটুলি ইউনিয়নের মো. আরিফুল হক (বিএনপি)।মারিয়া ইউনিয়নের মো. মুনতাজ (জাতীয় পার্টি)।
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
/এআর/








