চট্টগ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৩আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১১:০৩

চট্টগ্রাম নগরীতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় মো. সাজ্জাদ (২৫) নামে এক ছাত্রদল কর্মী নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে নগরীর বাকলিয়া অ্যাক্সেস রোড এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

নিহত সাজ্জাদ কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন হিরাকান্দা এলাকার মো. আলমের ছেলে। তিনি নগরীর বাকলিয়া থানার তক্তারপুল এলাকার বিসমিল্লাহ টাওয়ারে বসবাস করতেন। তিনি বাকলিয়া থানা ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তবে তার পদ-পদবি জানা যায়নি। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, এক বিএনপি নেতার ব্যানার সরানো নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষ, গুলির ঘটনা ঘটে। এর একটি পক্ষ যুবদল নেতা এমদাদুল হক বাদশার অনুসারী। অপর পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন হুমায়ুন-বোরহান গ্রুপ। তবে কেউ কেউ বলছেন, এলাকায় ইট-বালুর ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা কারণে বিবদমান এসব গ্রুপগুলোর মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।

নগরীর পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ‘বাকলিয়া অ্যাক্সেস রোড এলাকায় গুলিবিদ্ধ এক যুবককে স্থানীয় লোকজন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বেশ আহত কয়েকজন চিকিৎসাধীন আছেন।’

নিহত সাজ্জাদ নগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশাহর সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে এমদাদুল হক বাদশা বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা গুলি করার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়। যারা গুলি করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা হোক।’

চমেক হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম আশিক বলেন, ‘সাজ্জাদ নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় চমেক হাসপাতালে আনা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বুকে গুলির আঘাত রয়েছে। এ ছাড়াও গুলিবিদ্ধ আরও কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।’

/এমএএ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
আট দফা যেকোনও সময় ১ দফায় পরিণত হতে পারে: জামায়াত আমির
আট দফা যেকোনও সময় ১ দফায় পরিণত হতে পারে: জামায়াত আমির
ফেসবুকের ভ্রমণ পোস্ট দেখে গন্তব্য বাছাইয়ের আগে যা যাচাই করবেন
ফেসবুকের ভ্রমণ পোস্ট দেখে গন্তব্য বাছাইয়ের আগে যা যাচাই করবেন
বিষপানে অসুস্থ বাবা ও মারা যাওয়া তিন সন্তানের পরিচয় মিলেছে
বিষপানে অসুস্থ বাবা ও মারা যাওয়া তিন সন্তানের পরিচয় মিলেছে
এআইয়ের পর এবার এজিআই, গবেষণা গুগল ইনস্টিটিউট
এআইয়ের পর এবার এজিআই, গবেষণা গুগল ইনস্টিটিউট
সর্বাধিক পঠিত
পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরণ, প্রাণ গেলো ১৬ জনের
পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় বিস্ফোরণ, প্রাণ গেলো ১৬ জনের
তিন নামকরা হোটেলকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা
তিন নামকরা হোটেলকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা
জেলায় জেলায় বিয়ে করা পুলিশ কর্মকর্তাকে যেভাবে ধরিয়ে দিলেন ষষ্ঠ স্ত্রী
জেলায় জেলায় বিয়ে করা পুলিশ কর্মকর্তাকে যেভাবে ধরিয়ে দিলেন ষষ্ঠ স্ত্রী
লংমার্চের সভামঞ্চে একদিনের জন্য বসেছে বিদ্যুতের মিটার, এক এলাকাতেই ৫০০ পুলিশ
লংমার্চের সভামঞ্চে একদিনের জন্য বসেছে বিদ্যুতের মিটার, এক এলাকাতেই ৫০০ পুলিশ
৩ দফা বদলি, অবশেষে উপজেলা ছাড়লেন সেই এসিল্যান্ড
৩ দফা বদলি, অবশেষে উপজেলা ছাড়লেন সেই এসিল্যান্ড